Our mission is to inspire a lifelong love of learning ancient subjects with a focus on receiving Awards & Titles.
Building a strong sense of community in Viswa Jyotish Vidyapith - a Community - Building Approaches
Viswa Jyotish Vidyapith holds a Conference each and every year. The schedule for this year is below:
February 20, 21 & 22, 2025
Viswa Jyotish Vidyapith holds a recreation each year to bring refreshment to the students and the official staff
বিশ্ব জ্যোতিষ বিদ্যাপীঠ - এক এবং অদ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান । গুরু দেব এবং গুরু মাতা কে প্রণাম জানাই । প্রায়,পনের বছর আগের ঘটনা, জীবনের জ্যোতিষ শাস্ত্র বিষয়ে জানার জন্য আমি একদিন হাজির হলাম , "বিশ্ব জ্যোতিষ বিদ্যা পিঠের " অফিসে , এখানকার পরিবেশ,ও লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমার ভীষণ আনন্দ লাগলো, মনেই হয়নি,তাঁদের সঙ্গে কিছুক্ষন আগে,প্রথম পরিচয় হয়েছে । প্রায় দুই ঘন্টা পেরিয়ে গেল। আমি ভর্তি হলাম , ডিপ্লোমা ক্লাসে, এক বছর পড়ার পর, পরীক্ষা হবে তারপর উত্তীর্ণ হয়ে নতুন ক্লাসের পড়া শুরু হবে । দারুন নিয়ম । ভীষণ ভালো লাগলো। বাস্তব জীবনের মানসিক চাপ কমাতে একটা নতুন অধ্যায় শুরু হলো । যথা রীতি ক্লাস শুরু হলো, অধ্যাপক, অধ্যাপিকা, প্রত্যেক বিষয় খুবই যত্ন নিয়ে পড়াতেন । জ্যোতিষ শাস্ত্র শুরু - জানতে পারলাম , বাস্তু বা বাসস্থান সমস্যা,তার সমাধান, হস্তরেখা , কুষ্ঠী তৈরী করা, গ্রহ , নক্ষত্র অকাল বিজ্ঞান , অজানা জগতের সব বিষয় এত সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দিতেন । যে , চেষ্টা করতাম ,সর্বদাই ক্লাসে উপস্থিত হওয়ার। শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা অতুলনীয়। শৈশব জীবনের বিদ্যালয়ের দীর্ঘ বছর পর আবার শৈশব জীবনের বিদ্যালয়ের আনন্দ উপভোগ করলাম। শাস্ত্রী হলাম, আচার্য্য হলাম ,ডক্টর পেলাম । কেপি পদ্ধতি নিয়ে বিচার, বাস্তু বিষয় ডিগ্রী নেওয়ার পর আমি থেমে নেই । বাস্তবে "বিশ্ব জ্যোতিষ বিদ্যা পিঠের" জ্ঞান অর্জন করার মোহ ত্যাগ করতে পারলাম না এবং অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা দের আন্তরিকতা থেকে দূরে থাকতে না পেরে আবার যা যা বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা যায় সেই বিষয়ে আগ্রহী হলাম। এই বিদ্যালয় আরো অনেক কিছু শেখার আছে । আমি সংস্কৃত ভাষা নিয়ে শুরু করলাম ওই দিকের পড়া শেষ হয়ে গেল । তারপরে বহু বিষয় পড়াশোনা করানো হয়, যেমন , তন্ত্র মন্ত্র, কৃষ্ণমূর্তি পদ্ধতি , বাস্তু বিষয়, চিকিৎসা বিষয়ে নিয়ে জ্যোতিষ শাস্ত্র, পুরোহিত , সংস্কৃত ভাষায় বেনারস বিশ্ব বিদ্যালয়ের মাধ্যমে সংস্কৃত ভাষায় যত্ন নিয়ে পড়ানো হয় । সুযোগের সদ্ব্যবহার করলাম। বর্তমান আমি এই বিদ্যা পিঠের সংস্কৃত ভাষায় জ্যোতিষ শাস্ত্র বিদ্যা ক্লাস করছি। ভীষণ ভালো লাগে। চেষ্টা করি , সময়ের আগেই ক্লাসে ঢুকে পড়ি। অধ্যাপক ও অধ্যাপিকা গণ খুবই সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে পড়ান। এত সুন্দর বিদ্যাপীঠ ছাত্রী হতে পেরে খুব খুশী। গর্বিত বোধ করি ।
আমি PhD' 26 এর একজন ছাত্রী। কোনো বিজ্ঞাপন দেখে নয়,যার অনুপ্রেরণায আজ আমি 'বিশ্ব জ্যোতিষ বিদ্যাপীঠ' এর ছাত্রী, তার বয়স ও প্রায় ৮০র দোরগোড়ায়। তার সাহায্যে আমি এই প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরেছি। এখান থেকেই আমার নতুন পথচলা শুরু। শুধু শিক্ষায় নয়, বাঁধা পরেছি গুরুজী, প্রিন্সিপাল ম্যাডাম, সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা, অফিস স্টাফ সকলের স্নেহ ও আন্তরিকতায়। আমি গর্বিত এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ পেয়ে, আজীবন যুক্ত থাকতে পারব এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
ছোটবেলা থেকে আমি রামকৃষ্ণ শাস্ত্রী মহাশয় এর নাম শুনে এসেছি। আমি এমন বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান খুঁজছিলাম। scientific ভাবে যে জ্যোতিষ চর্চা সেটা আমি পেয়েছি। অবশ্য ছোটবেলা থেকেই আমার jyotish এর প্রতি আগ্রহ। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমি সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছি।কলেজের প্রফেসর রা যথেষ্ঠ শেখানোর প্রতি মনন শীল এবং যথেষ্ঠ আমি তাদের প্রতি ভালোবাসা পেয়েছি। তাঁদেরকে যথেষ্ঠ শ্রদ্ধা ও সম্মান করেছি।